আপনার ফোনকে হ্যাকারমুক্ত রাখুন
১৫টি উপায়
আপনার ফোনে হ্যাকারদের ১৫টি আক্রমণের কৌশল (এবং প্রতিরোধের উপায়)
👇👇👇
১. পাবলিক ওয়াই-ফাইতে ভিপিএন ব্যবহার করুন:
🔒 কারণ: পাবলিক ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কগুলো সাধারণত নিরাপদ নয়। তাই হ্যাকারদের জন্য এগুলো সহজ টার্গেট। ভিপিএন (Virtual Private Network) আপনার ইন্টারনেট ট্রাফিক এনক্রিপ্ট করে, ফলে কেউ সহজে আপনার ডেটা আটকাতে পারে না।
২. সন্দেহজনক লিঙ্কে ক্লিক করা এড়িয়ে চলুন:
🎯 কারণ: অনেক ফিশিং আক্রমণে ভুয়া বা বিভ্রান্তিকর লিঙ্ক ব্যবহার করা হয়, যেগুলোতে ক্লিক করলে ম্যালওয়্যার ইনস্টল হতে পারে বা ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হতে পারে।
৩. অ্যাপের পারমিশন সীমিত করুন:
📱 কারণ: অনেক অ্যাপ অপ্রয়োজনীয়ভাবে আপনার ডেটায় প্রবেশের অনুমতি চায়। এসব সীমিত করলে তথ্য চুরির ঝুঁকি কমে।
৪. অবিশ্বস্ত উৎস থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করবেন না:
🚫 কারণ: অননুমোদিত ওয়েবসাইট বা অ্যাপ স্টোরে ক্ষতিকর অ্যাপ থাকতে পারে। সর্বদা Google Play Store বা Apple App Store ব্যবহার করুন।
৫. সন্দেহজনক ওয়েবসাইট এড়িয়ে চলুন:
🧨 কারণ: নিরাপত্তাহীন সাইটে ঢুকলে আপনার ফোনে ভাইরাস বা হ্যাকিং সফটওয়্যার ঢুকে পড়তে পারে।
৬. এমএফএ (MFA) সক্রিয় করুন:
🧩 কারণ: মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন প্রতিবার লগইনের সময় অতিরিক্ত যাচাই চায় (যেমন, ফোনে কোড পাঠানো)। এতে নিরাপত্তা বহুগুণ বেড়ে যায়।
৭. অ্যান্টিভাইরাস ইনস্টল করুন:
🛡️ কারণ: অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ম্যালওয়্যার শনাক্ত ও অপসারণ করতে পারে, যা আপনার ফোনকে সুরক্ষিত রাখে।
৮. অপারেটিং সিস্টেম আপডেট রাখুন:
⚙️ কারণ: নতুন আপডেটে সাধারণত নিরাপত্তা দুর্বলতা ঠিক করা হয়। আপডেট না রাখলে আপনি হ্যাকারদের টার্গেট হতে পারেন।
৯. পাসওয়ার্ড অটোফিল বন্ধ করুন:
🔐 কারণ: অটোফিল সুবিধা থাকলে হ্যাকাররা সহজে আপনার পাসওয়ার্ডে প্রবেশ করতে পারে যদি ফোনে ম্যালওয়্যার থাকে।
১০. জেলব্রেক করা ফোন ব্যবহার বন্ধ করুন:
🧱 কারণ: ফোন জেলব্রেক করলে সিস্টেমের সিকিউরিটি স্তর দুর্বল হয়ে যায়, ফলে হ্যাকারদের জন্য প্রবেশ সহজ হয়।
১১. অচেনা বা পুরনো অ্যাপ মুছে ফেলুন:
🧹 কারণ: যে অ্যাপগুলো আপনি চিনেন না বা ব্যবহার করেন না, সেগুলো ক্ষতিকর হতে পারে। সরিয়ে ফেলুন।
১২. শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন:
🧠 কারণ: জটিল ও অনন্য পাসওয়ার্ড হ্যাক করা কঠিন। নাম, জন্মতারিখ বা সাধারণ শব্দ ব্যবহার করা বিপজ্জনক।
১৩. ক্যাশ পরিষ্কার করুন:
🧽 কারণ: ক্যাশে থাকা অস্থায়ী ফাইলের মধ্যে সংবেদনশীল তথ্য থাকতে পারে। নিয়মিত পরিষ্কার করলে ঝুঁকি কমে।
১৪. কুকিজ ও ব্রাউজিং হিস্টরি মুছে ফেলুন:
🕵️ কারণ: কুকিজ আপনার অনলাইন অভ্যাস ট্র্যাক করতে পারে। নিয়মিত মুছে ফেললে গোপনীয়তা বজায় থাকে।
১৫. সম্পূর্ণ সিকিউরিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করুন:
🧰 কারণ: ভালো সিকিউরিটি সফটওয়্যারে অ্যান্টিভাইরাস, ফায়ারওয়াল ও অ্যান্টি-ফিশিংসহ একাধিক সুরক্ষা ব্যবস্থা থাকে, যা সামগ্রিক নিরাপত্তা দেয়।
---


